রাশেদশ্রাবনকে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ কমিউনিটির সংবর্ধনা

rs (6)

সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সিটিজেন অব দ্য ইয়ার-২০১৮ খেতাব পাওয়া বাংলাদেশি সাংবাদিক রাশেদ শ্রাবনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

গত কাল রোববার রাশেদ শ্রাবনকে নাগরিক সংবর্ধনা দেয় অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটি।

অস্ট্রেলিয়ার সরকার প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি ন্যাশনাল অস্ট্রেলিয়ান ডে উপলক্ষে এই সম্মাননা দিয়ে থাকে।সামাজিক কাজে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যাংকস টোন কেন্টারবারি সিটি থেকে এ বছর এই সম্মাননা পেলেন প্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক রাশেদ শ্রাবন।

সিডনির বাংলাদেশি পালকি ফাংশন সেন্টারে গত কাল সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।সংবর্ধনা কমিটির আহ্বায়ক কাউন্সিলর মোহাম্মদ জামানের আমন্ত্রণে অনুষ্ঠান শুরু হয় বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে। মোহাম্মদ জামান টিটুর শুভেচ্ছা বক্তব্যের পর অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাংবাদিক সায়মন সারওয়ার।

এসময় পালকি ফাংশন সেন্টার বাংলাদেশি বিশিষ্টজনের মিলন মেলায় পরিণত হয়।দল-মতনির্বিশেষে এ যেন ছিল এক অন্যরকম পরিবেশ।

অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছিলেন অস্ট্রেলিয়া আওয়ামীলীগের প্রধান উপদেষ্টা গামা কাদির, সাংবাদিক ও কলাম লেখক অজয় দাশগুপ্ত, সাহিত্যিক ও গবেষক ডক্টর কাইয়ুম পারভেজ, বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার উপদেষ্টা মনিরুল হক জর্জ, দেশ-বিদেশ পত্রিকার সম্পাদক বদরুল আলম ও কাউন্সিলর মোহাম্মদ হুদা।

বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাংবাদিক অজয় দাস গুপ্ত বলেন, রাশেদ শ্রাবনের এই সন্মনা শুধু কমিটিটিতে নয় এটা এখন আমাদের জাতীয় সন্মান | প্রবীণ এই বিশিষ্ট সাংবাদিক এই সময় জাতীয় কবি নজরুল এর কবিতার কিছু অংশ পাঠ করে বলেন আমার মনে হয় রাশেদ শ্রাবন এই সম্মাননা আরো পাঁচ বছর আগে পেলে আমাদের জন্য ভালো হতো

সাহিত্যিক ও গবেষক ডক্টর কাইয়ুম পারভেজ বলেন, ‘আমি যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, রাশেদ শ্রাবন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি স্টুডেন্ট।এটা আমার জন্য বড় সম্মানের, আমি আজকে তার পরিচয়ে পরিচিত।আশা করি, তার এই সামাজিক কাজ আগামী দিনে আমাদের কমিউনিটিকে সমৃদ্ধ করবে।’

সিডনি থেকে প্রকাশিত দেশবিদেশ পত্রিকার সম্পাদক জনাব বদরুল আলম তার বক্তব্যে রাশেদ শ্রাবনকে নিয়ে বাংলাদেশ কম্যুনিটিতে প্রকাশিত ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ নিয়ে বলেন, আপনি আসলে বারিয়ার্স ব্র্যাক করেছেন, এই তরুণ বয়েসে এই সন্মনা আগামী দিনে আপনার জন্য সবুজ সংকেত, এগিয়ে যান রাশেদ শ্রাবন |

এ ছাড়া বিশিষ্ট জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়া সভাপতি ডাক্তার ওয়াহা ববকুল, ডাক্তার আসাদ শামস, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক, বঙ্গবন্ধু কাউন্সিল সিডনির সাধারণ সম্পাদক গাউসুল আলম শাহাজাদা, অস্ট্রেলিয়া রিসার্চ একাডেমির ভাইস প্রেসিডেন্ট ডক্টর শফিকুর রহমান, রকডেল বাংলা স্কুলের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং সেন্ট জর্জ মাইগ্রেশন অ্যান্ড রিফিউজি সেন্টারের ডিরেক্টর শামসুজ্জোহা স্বপন, ওয়েস্টার্ন সিডনি ইউনিভার্সিটি আইন বিভাগের গবেষক ডক্টর নাহিদ হোসেন, এনটিভি অস্ট্রেলিয়ার হেড অব ক্রিয়েটিভ জাহাঙ্গীর হাবিব, বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শাকিল আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে আওয়ামীলীগ নেতা গাউসুল আলম শাহাজাদা মেডেল পরিয়ে দেন রাশেদ শ্রাবনকে।এছাড়া অস্ট্রেলিয়া বিএনপির পক্ষে মনিরুল হক জর্জএ বং ওয়াহাব বকুল রাশেদ শ্রাবনকে মেডেল পরিয়ে দেন।এর পর অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, এনটিভি অস্ট্রেলিয়া এবং বাংলাদেশ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকেও পরিয়ে দেওয়া হয় মেডেল।

সবশেষে সংগীত শিল্পী মিঠু এবং ইভানা খালেদের সুরের মূর্ছনায় রাতের ডিনারের মাধ্যমে শেষ হয় অনুষ্ঠান।

Authors
Top