সিডনিতে রবীন্দ্র জন্ম জয়ন্তি উদযাপিত

r 1

নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি: গত ২০ মে (শুক্রবার) সন্ধ্যায় আনন্দধারা সঙ্গীত বিদ্যালয়ের আয়োজনে গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি হলে ১৫৫তম রবীন্দ্র জন্ম জয়ন্তি উদযাপিত হয়। সিডনিতে এই প্রথমবারের মত বাংলাদেশী কমিউনিটির উদ্যোগে রবীন্দ্র জন্ম জয়ন্তী পালিত হলো। মূলত কবি গুরুর প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করাই ছিল আয়োজকদের মূল উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই সমবেত কণ্ঠে  পরিবেশিত হয় ‘হে নতুন দেখা দিক আরবার জন্মেরও প্রথম শুভক্ষণ’। আনন্দধারার পরিচালক শারমিন জাহান পাপিয়া একক কন্ঠে পরিবেশন করেন ‘আনন্দধারা বহিছে ভুবনে’, ‘এতদিন যে বসেছিলেম’, ‘সজনী সজনী রাধিকা’। পলাশ বসাক পরিবেশন করেন ‘আমি চিনি গো চিনি তোমারে’ ও ‘আমার বেলা যে যায়  সাঁঝ বেলাতে’। লিলি গোমেজ গেয়ে শোনান ‘গহন কুসুম কুঞ্জ মাঝে’। তাসফিয়া তাবাচ্ছুম গাইলেন ‘তুমি কেমন করে গান করো হে গুণী’ ও ‘মধুরও মধুরও ধ্বনি বাজে’।

ঈশান সরদার কন্ঠ দেন ‘মায়াবন বিহারিণী হরিণী’ গানে। এরই সাথে শারমিন জাহান পাপিয়ার গান আর সাথে মলয় বিশ্বাসের কবিতায় মুখরিত হয় প্রাঙ্গণ। কবিতা ও গানে তারা শোনান ‘সেই ভালো সেই ভালো, ‘তুমি একটু কেবল বসতে দিও কাছে’, ‘সুনীল সাগরে শ্যামল কিনারে’ ও ‘আজি শ্রাবণ ঘন গহন মোহে’ । সমবেত কন্ঠে পরিবেশিত হয়  ‘সংকোচেরই বিহ্বলতা’, ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’, ‘ভেঙ্গে মোর ঘরের চাবি’ গানগুলি। সমবেত সংগীতে আরো কন্ঠ দিয়েছেন বেঞ্জামিন গোমেজ ও ফারিয়া হোসেন।

কবিতা আবৃত্তি করেন মলয় বিশ্বাস ও শাহীন শাহনেওয়াজ। তাঁদের দরাজ কন্ঠে ‘বাঁশী’, ‘ঢাকাই শাড়ি’ আর ‘শেষের কবিতা’য় শ্রোতারা মুগ্ধ হোন । ‘নূপুরও বেজে যায় রিনিরিনি’ গানে  নৃত্য পরিবেশন করেন সারিকা। ‘চিত্রাঙ্গদা’ নৃত্য নাট্যের অংশ বিশেষ পরিবেশন করেন অর্পিতা সোম চৌধুরী। সবশেষে সমবেত কন্ঠে ‘আনন্দলোকে, মঙ্গল আলোকে’ গানটি দিয়ে অনুষ্ঠানের সফল সমাপ্তি হয়।

অনুষ্ঠানটি গ্রন্থনা ও সঞ্চালনা করেন সালেহ জামী এবং তাঁকে সহযোগিতা করেন ফারিয়া হোসেন। কিবোর্ডে ছিলেন সুজন আশিক, গিটারে পলাশ বসাক, তবলায় ছিলেন সাকিনা আকতার ও শুভ খান এবং মন্দিরায় সঙ্গত করেন লোকমান হাকিম।

সিডনির গন্য মান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সফল ও দর্শক-শ্রোতা প্রসংশিত এই অনুষ্ঠানের উদ্যোগকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি আয়োজক ‘আনন্দধারা’  অনুষ্ঠানটি সফল করার জন্য সহযোগী সকলকে আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

 

Authors
Top